ভয়াল সিডরের ১২ বছর আজ - Shera TV ভয়াল সিডরের ১২ বছর আজ - Shera TV

ভয়াল সিডরের ১২ বছর আজ

বিশেষ প্রতিবেদক:
আজ সেই ভয়াল ১৫ ই নভেম্বর। ২০০৭ সালের এই দিনে বাংলাদেশের দক্ষিণ পশ্চিম  উপকূলে আছড়ে পরে শতাব্দীর সেরা সাইক্লোন সিডর। রাতের নিস্তব্ধতা ভেদ করে এটি মুহুর্তেই ধ্বংস করে দেয় বাংলার দক্ষিন পশ্চিম উপকূল। মানুষ অবাক হয়ে প্রত্যক্ষ করলো প্রকৃতির ভয়ঙ্কর রুপ ও ধ্বংসলীলা। এটি ছিলো শতাব্দির সেরা সাইক্লোন।  এটি যখন ১৫ ই নভেম্বর সন্ধ্যায় বাংলাদেশের সুন্দরবন, বাগেরহাট, বরগুনা,পটুয়াখালী,   তালপট্রিতে আঘাত হানে তখন এর গতিবেগ ছিলো ঘন্টায় প্রায় ২৬০ কি.মি. যা দমকা  ও ঝড়ো হাওয়া ঘন্টায় প্রায় ৩০৫ কি.মি. পর্যন্ত বৃদ্ধি পায়।এই ঘূর্ণিঝড়টি  সরকারি হিসেবে পরেরদিন বিকাল পর্যন্ত ২২১৭ জনের প্রানহাণির খবর পাওয়া যায়, তবে বাস্তবে আরও অনেক মানুষের প্রানহাণি ঘটে, ঘরবাড়ি ধংস হয় প্রায় ৯৬৮০০০টি, প্রায় ২১০০০ হেক্টর জমির ফসল ধংস হয়, ২৪২০০০ গৃহপালিত পশু মারা যায়, বাংলাদেশ সরকার এটাকে জাতীয় দূর্যোগ বলে আখ্যায়িত করে,  ঘূর্ণিঝড়  সিডার এতই শক্তিশালী ছিলো যে এটি ১৫ ই নভেম্বর সন্ধ্যায় বাগেরহাট জেলায় আঘাত হেনে ১৬ ই নভেম্বর রাত ৩ টায় মাত্র ৮ ঘন্টায় বাংলাদেশের বক্ষ্য বিদির্ন করে সিলেট জেলার উপর দিয়ে চলেযায়। ঘূর্ণিঝড় সিডরে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্থ হয় বাগেরহাট জেলার শরনখোলা উপজেলা। আজও সেই রাতের কথা মনে পড়লে আৎকে উঠে সেদিনের বেঁচে যাওয়া মানুষদের হৃদয়, তাদের ঘুম ভেঙে যায় আকাশ বাতাস ভারি হয়ে ওঠে স্বজন হারানোর বেদনায়। কিন্তু বছরের পর বছর পেরিয়ে গেলেও ঘূর্ণিঝড়ের ক্ষত এখনো ভোগান্তিতে ফেলছে উপকূলবাসীকে। প্রতি বছর সিডরে ক্ষতিগ্রস্থ বাঁধ মেরামতে কোটি কোটি টাকা খরচ করেছে পানি উন্নয়ন বোর্ড। কিন্তু সুফল পায়নি উপকূলবাসী। প্রতি বছরই বাঁধ ভেঙে প্লাবিত হয়েছে গ্রামের পর গ্রাম।অসহায় হয় পড়ে উপকূলীয় জনগোষ্ঠীমহান আল্লাহ সেই দূর্যোগে নিহত মানুষদের জান্নাত দান করেন ও ভবিষ্যতে এধরনের ভয়ঙ্কর দূর্যোগ থেকে আমাদের ও আমাদের দেশকে যেনো  হেফাজতে রাখেন এটাই উপকূলবাসীর প্রার্থনা।

সেরা নিউজ/আকিব

Developed BY: Shera Digital 360