করোনাভাইরাসের কারণে অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক আকাশপথে যাত্রীবাহী ফ্লাইট চলাচলের নিষেধাজ্ঞার সময়সীমা শেষ হচ্ছে আগামী ৩০ মে। নিষেধাজ্ঞার এই সময়সীমার পরই চালু হতে পারে সব যাত্রীবাহী ফ্লাইট।
জানা গেছে, দেশের চলমান করোনা পরিস্থিতিতে সংক্রমণ ঠেকাতে সরকারি ছুটি আর বাড়ছে না। ফলে ৩১ মে থেকেই খুলছে অফিস। আর সেদিন থেকেই বিমান কর্তৃপক্ষ নিজ ব্যবস্থাপনায় ফ্লাইট পরিচালনা করতে পারবে।
সরকারের এমন নির্দেশনার পর ফ্লাইট চালুর বিষয়ে সবার সঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেয়ার কথা জানিয়েছে বিমান মন্ত্রণালয়।
এ বিষয়ে বেসামরিক বিমান ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী মাহবুব আলী বলেন, কোভিড-১৯ বাংলাদেশে আক্রান্তের শুরু থেকেই আমরা বিমানে সকল ধরনের সেফটির ব্যবস্থা নিয়েছি। সরকারি সিদ্ধান্তে যেহেতু ৩০ মে’র পর প্লেন চলাচলের বিষয়টি ওপেন করে দেয়া হয়েছে, আমরা সবার সঙ্গে বসে কিভাবে ফ্লাইট চালু করা যায় সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেব। আমাদের সকল ধরনের প্রস্তুতি রয়েছে। আর ফ্লাইট তো অবশ্যই চালু করতে হবে। ৩০ মে পর্যন্ত বিমান চলাচলে নিষেধাজ্ঞা তো রয়েছেই, এরপর কিভাবে আমরা চালু করতে পারি সে বিষয়েই সিদ্ধান্ত নেব।
তাহলে ৩০ মে’র পরই কি ফ্লাইট সচল হচ্ছে, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, অবশ্যই আমাদের চালু করতে হবে।
এ বিষয়ে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন জানান, ৩০ মে এর পর বিমান কর্তৃপক্ষ নিজ ব্যবস্থাপনায় স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে ফ্লাইট পরিচালনা করতে পারবে।
এরআগে গত ১৪ই মে আগামী ৩০ মে পর্যন্ত অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক আকাশপথে ফ্লাইট চলাচল বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেয় বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক)।
সেসময় বেবিচক চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মো. মফিদুর রহমান জানান, আন্তর্জাতিক ফ্লাইটে যাত্রী পরিবহনের (সিডিউল প্যাসেঞ্জার ফ্লাইট) ক্ষেত্রে বিমান চলাচলের নিষেধাজ্ঞা ৩০ মে পর্যন্ত বাড়ানো হলো। এ নিষেধাজ্ঞা আগের মতো বাহরাইন, ভুটান, হংকং, ভারত, কুয়েত, মালয়েশিয়া, মালদ্বীপ, নেপাল, ওমান, কাতার, সৌদি আরব, শ্রীলঙ্কা, সিঙ্গাপুর, থাইল্যান্ড, তুরস্ক, ইউএই, ইউকের সঙ্গে বিদ্যমান বিমান চলাচল রুটের ক্ষেত্রে কার্যকর হবে। একইসঙ্গে অভ্যন্তরীণ যাত্রী পরিবহনের ক্ষেত্রেও বিমান চলাচলের নিষেধাজ্ঞা আগামী ৩০ মে পর্যন্ত বাড়ানো হয়।
সেরা নিউজ/আকিব















