সেরা নিউজ ডেস্ক:
ভাড়া এক ডলারও কমেনি। ইকোনমি ক্লাসের প্রতিটি টিকেটের জন্য বাংলাদেশিদের গুনতে হচ্ছে প্রায় ২২০০ ডলার। এ নিয়ে বহু আলোচনা হয়েছে। বিতর্কও কম হয়নি। কানাডা থেকে ২০০০ ডলারে বাংলাদেশিরা ফিরেছেন- এমন প্রমাণও হাজির করা হয়েছে। কিন্তু না, কোনো কিছুতেই কাজ হয়নি। এ অবস্থায় সরকারি আয়োজনে আজ ঢাকাগামী দ্বিতীয় স্পেশাল ফ্লাইটে উঠছেন বাংলাদেশিরা। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা মোতাবেক এবারও অরিক্স এভিয়েশন নামক বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠান কাতার এয়ারওয়েজের ফ্লাইটটি চার্টার করেছে।
বাংলাদেশ মিশনের দায়িত্বশীল প্রতিনিধিরা বলছেন, সরকারের কেউ প্রকাশ্যে কোনো আর্থিক লেনদেনে নেই। চার্টার্ড করা, টিকেট বিক্রিসহ সমুদয় বিষয়ের দায়-দায়িত্ব ট্র্যাভেল এজেন্সির।
এ বিষয়ে নিউইয়র্কস্থ বাংলাদেশ কনস্যুলেটের আনুষ্ঠানিক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ সরকারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কোভিড-১৯ জনিত উদ্ভূত পরিস্থিতিতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে আটকে পড়া বাংলাদেশি নাগরিকদের দেশে প্রত্যার্বতনের জন্য ওয়াশিংটনস্থ বাংলাদেশ দূতাবাস এবং নিউইর্য়ক ও লস এঞ্জেলস্থ বাংলাদেশ কনস্যুলেটের সাথে সমন্বয়র্পূবক কাতার এয়ারওয়েজের মাধ্যমে ২য় বিশেষ ফ্লাইট পরিচালনার উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। কাতার এয়ারওয়েজের বিশেষ ফ্লাইটটি কিউআর ৩৪৫৮ ৬ই জুন নিউইর্য়ক জন এফ কেনেডি এয়ারর্পোট থেকে সকাল ৯টায় দোহা হয়ে ঢাকা হযরত শাহজালাল আর্ন্তজাতিক বিমান বন্দরের উদ্দেশ্যে নিউইর্য়ক ত্যাগ করবে।
৭ই জুন রোববার বিকাল ৪টা ৪৫ মিনিটে কিউআর ৩৩৯০ ফ্লাইটটি দোহা থেকে ঢাকা হযরত শাহজালাল আর্ন্তজাতিক বিমান বন্দরে অবতরণ করবে। করোনভাইরাস (কোভিড-১৯) প্যানডেমিক সংক্রান্ত সকল স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে এ বিশেষ ফ্লাইটটি পরিচালিত হবে।
সংশ্লিষ্ট সকল যাত্রীকে র্নিধারিত যাত্রাকালীন সময়ের চার ঘন্টা র্পূবে নিউইর্য়ক জন এফ কেনেডি এয়ারর্পোটের বর্হিগমন ৮নং র্টামিনালে চেক-ইন র্কাযক্রম শুরু করার জন্য অনুরোধও করা হয়।
উল্লেখ্য, যাত্রাকালীন সময়ের ১ ঘন্টা র্পূবে চেক-ইন কার্যক্রম কাউন্টার বন্ধ করা হবে। রেজিস্ট্রেশন ও টিকেট সংক্রান্ত জিজ্ঞাসা ও সহযোগিতার জন্য কনস্যুলেটে ফোনে যোগাযোগের পরামর্শও দেয়া হয়। স্মরণ করা যায় মে মাসের মাঝামাঝিতে যুক্তরাষ্ট্র থেকে বাংলাদেশিদের ফেরাতে প্রথম ফ্লাইট পরিচালিত হয়েছিল। সেদিনও ভাড়া করা কাতার এয়ারওয়েজের বিশেষ বিমানে ফিরেছিল যাত্রীরা। ওই ফ্লাইটের একটি সুলভ টিকেটের জন্য প্রত্যেককে গুনতে হয়েছিল পৌনে ২ লাখ টাকা! যেখানে স্বাভাবিক পরিস্থিতিতে ঢাকা-নিউইয়র্ক রুটে চলাচলকারী কাতার, কুয়েত, এমিরাটস সাধারণত রিটার্ন টিকেটই ৭০-৮০ হাজার টাকায় বিক্রি করে থাকে।
সেরা নিউজ/আকিব