ইন্টারন্যাশনাল ডেস্ক:
শুক্রবারও সরকারবিরোধী বিক্ষোভে উত্তাল থাইল্যান্ড। জনসমাবেশের ওপর নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে বৃহস্পতিবার দিন গড়িয়ে রাতেও বিক্ষোভ করেন কয়েক লাখ আন্দোলনকারী।
সরকারবিরোধী এমন বিক্ষোভ থাইল্যান্ডের ইতিহাসে খুব কমই দেখেছে দেশটির মানুষ। দেশজুড়ে জারি করা জরুরি অবস্থা ও বিধিনিষেধ উপেক্ষা করেই ব্যাংককের রাস্তায় অবস্থান নেন কয়েক লাখ মানুষ। ২০১৪ সালে অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতা দখল করা প্রধানমন্ত্রী প্রায়ুথ চান ও’চার পদত্যাগ, সংবিধান সংশোধন, নতুন নির্বাচন ও রাজতন্ত্র পুনর্গঠনের দাবিতে টানা তিন মাস ধরে আন্দোলন করে আসছে সরকারবিরোধীরা।
তবে ছাত্র নেতৃত্বাধীন এ আন্দোলন চলতি সপ্তাহে আরও জোরদার হয়। পুলিশের পক্ষ থেকে রাস্তায় অবস্থান নেয়া বিক্ষোভকারীদের সরে যাওয়ার আহ্বান জানানো হলেও তা উপেক্ষা করেই বিক্ষোভ চালিয়ে যান তারা।
বিক্ষোভকারীরা বলেন, ‘আমরা আমাদের শক্তি দেখাতেই এখানে জড়ো হয়েছি। আমরা আর স্বৈরতন্ত্র মেনে নেব না।’
‘আমরা কোনো সহিংসতা করিনি, তারপরও জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে। তবে আমরা মোটেও ভীত নই। এই জনসমুদ্রই তার প্রমাণ।’
জরুরি অবস্থা জারির পরপরই সরকারবিরোধী আন্দোলনের বেশ কয়েকজন নেতা, মানবাধিকার আইনজীবী, ছাত্রনেতাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। গ্রেফতারের সময়ও বিক্ষোভ চাঙা রাখতে আন্দোলনের প্রতীক হয়ে ওঠা তিন আঙুল স্যালুট দিতে দেখা যায় তাদের।
আইন ভঙ্গকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে প্রমাণাদি সংগ্রহ করা হচ্ছে জানিয়ে আন্দোলনকারীদের ওপর আরও কঠোর হওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে পুলিশ। তবে দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন বিক্ষোভকারীরা।
সেরা নিউজ/আকিব