1. akibmahmud2010@gmail.com : akibmahmud :
  2. galib.nyc@gmail.com : galib.nyc :
  3. t.m.a.hasib@gmail.com : t.m.a. hasib : t.m.a. hasib
  4. tahmim0007@gmail.com : newsdesk :
  5. sajeeb@seranews.com : sajeeb :
দেশত্যাগের নিষেধাজ্ঞাকে যেভাবে দেখছেন ইভ্যালি সিইও - Shera TV
রবিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২১, ০৫:৪৩ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ:

দেশত্যাগের নিষেধাজ্ঞাকে যেভাবে দেখছেন ইভ্যালি সিইও

সেরা টিভি
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ১০ জুলাই, ২০২১

স্টাফ রিপোর্টার:
দেশত্যাগের নিষেধাজ্ঞাকে পজিটিভলি দেখছেন বলে জানিয়েছেন দেশের অন্যতম অনলাইল বেচাকেনার প্রতিষ্ঠান ইভ্যালি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মোহাম্মদ রাসেল। এতে ইভ্যালির সঙ্গে যুক্ত কোম্পানিগুলো আরও আত্মবিশ্বাস নিয়ে ব্যবসা চালিয়ে যেতে পারবেন বলে মনে করেন তিনি। শুক্রবার রাত আটটায় নিজের ফেসবুক ওয়ালে একটির পোস্টের মাধ্যমে বিষয়টি জানান মোহাম্মদ রাসেল।

গ্রাহক ও মার্চেন্টের কাছ থেকে নেয়া প্রায় সাড়ে তিনশো কোটি টাকার ঋণ রয়েছে ইভ্যালির। এ অবস্থায় এমডি রাসেল ও চেয়ারম্যান শামীমা নাসরিনের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন-দুদক। বিষয়ে প্রকাশ হওয়ার পর নিজের এ অবস্থান জানালেন প্রতিষ্ঠানটির কর্ণধার।

ফেসবুক পোস্টে মোহাম্মদ রাসেল লিখেন, ‘আমি আমার বিদেশ যাওয়া নিষেধাজ্ঞা বিষয়টি পজিটিভলি দেখছি। বাংলাদেশের সব বড় কোম্পানির সাথে আমার সম্পর্ক। হয়তো আমাকে ভালোবাসার জন্য ওনাদের ভয়ের এই বিষয়টা আমাকে বলতেন না। আমরা বিজনেস করেছি সবার সাথেই। এখন ওনারা আরো বেশি কনফিডেন্স পাবে।’ তিনি আরও লিখেন, ‘এখন আমরা অনেকটাই প্রফিটে বিজনেস শুরু করেছি। নতুন নীতিমালা অনুযায়ী গ্রাহকদের টাকা আমাদের হাতে আসার সুযোগ নাই। এছাড়া তদন্ত করলেই সবাই দেখবেন পুরাতন অর্ডার কি পরিমান ডেইলি যাচ্ছে।’

‘বিজনেস ডেভেলপমেন্ট এ লস হয়েছে, সেটা বিজনেস করেই প্রফিট করে ফেলব এর চেয়ে কম সময়ে। কারণ আমাদের ক্রয় মূল্য বাজার মূল্য থেকে অনেক কম। সরকারের সামগ্রিক কার্যক্রম জনগণের স্বার্থ রক্ষার জন্য।’ এছাড়াও তিনি অনুরোধ করে বলেন, আমি শুধু একটাই রিকোয়েস্ট করব যে আমাদের তদন্ত বিষয়ে অতি উৎসাহ নিয়ে কেউ কোনো প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে বলবেন না। আপনাদের রেগুলার কেনাকাটা ইভ্যালিতে করুন। এতেই ইভ্যালির লস এর যৌক্তিকতা আসবে।

নিজের বিদেশ পালিয়ে যাবার বিষয়টিকে সামনে এনে মোহাম্মদ রাসেল বলেন, ‘কখনো কোনো দেশের মাল্টিপল ভিসা ছিল না, এখন কোনো ভিসাও নাই এবং কখনো কোন সিটিজেনশিপের জন্য অ্যাপ্লাই করি নাই। ঘুরতে গিয়েছিলাম কয়েকবার। দেশ আমাদের। আমরা সবাই দেশের জন্যই কাজ করতে চাই। দোয়া রাখবেন।’ আজ বিকালে দুদকের জনসংযোগ বিভাগ থেকে জানানো হয়, ইভ্যালি লিমিটেড এর চেয়ারম্যান মিসেস শামীমা নাসরীন এবং ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. রাসেল গোপনে দেশ ত্যাগের প্রচেষ্টা করছেন। অনুসন্ধান কার্যক্রম চলমান থাকা অবস্থায় অভিযোগ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিগণ দেশত্যাগ করলে সার্বিক অনুসন্ধান কার্যক্রম ব্যহত হতে পারে মর্মে গতকাল তাদের বিরুদ্ধ বিদেশ গমনে নিষেধাজ্ঞার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয় সংস্থাটি।

ইভ্যালির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে সম্প্রতি দুদকের কাছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় থেকে একটি সুপারিশ পাঠানো হয়। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের পাঠানো সেই চিঠি কমিশনের সভায় উত্থাপনের প্রস্তুতিও নেয় দুদক। বিষয়টি তদন্ত করতে দুদক এর মানিলন্ডারিং বিভাগের দুই সদস্যের সমন্বয়ে একটি কমিটি গঠন করে। পরে এদিনই কমিশনের সিদ্ধান্তে এই বিষয়ে অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নেয় দুদক। এর আগে গত রবিবার (৪ জুলাই) ইভ্যালির বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক), স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ, বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশন ও জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর এ চার সরকারি প্রতিষ্ঠানকে চিঠি পাঠায় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয় থেকে দুদক চেয়ারম্যানের কাছে পাঠানো ওই চিঠিতে বলা হয়, বাংলাদেশ ব্যাংক ইভ্যালির বিরুদ্ধে তদন্ত করে যে প্রতিবেদন তৈরি করে সেখানে দেখা যায়, ১৪ মার্চে ইভ্যালির মোট সম্পদ ৯১ কোটি ৬৯ লাখ ৪২ হাজার ৮৪৬ টাকা। মোট দায় ৪০৭ কোটি ১৮ লাখ ৪৮ হাজার ৯৯৪ টাকা। যেখানে তার একই তারিখে গ্রাহকের কাছে ইভ্যালির দায় ২১৩ কোটি ৯৪ লাখ ৬ হাজার ৫৬০ টাকা এবং মার্চেন্টের কাছে দায় ১৮৯ কোটি ৮৫ লাখ ৯৫ হাজার ৩৫৪ টাকা।

অন্যদিকে ওই তারিখ পর্যন্ত ইভ্যালি গ্রাহকদের কাছ থেকে অগ্রিম নিয়েছে ২১৩ কোটি ৯৪ লাখ ৬ হাজার ৫৬০ টাকা এবং মার্চেন্টদের কাছ থেকে ১৮৯ কোটি ৮৫ লাখ ৯৫ লাখ ৯৫ হাজার ৩৫৪ টাকার মালামাল কেনার পর প্রতিষ্ঠানটির কাছে ৪০৩ কোটি ৮০ লাখ ১ হাজার ৯১৪ টাকার সম্পদ থাকার কথা থাকলেও, বিভিন্ন হিসাবে প্রতিষ্ঠানটির সম্পদ দেখাচ্ছে ৬৫ কোটি ১৭ লাখ ৮৩ হাজার ৭৩৬ টাকা। বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদনে বলা হয়, ইভ্যালি তাদের বর্তমান যে সম্পদ আছে তাদে তারা মাত্র ১৬.১৪ শতাংশ গ্রাহকের হাতে পণ্য পৌছাতে পারবে। আর বাকি গ্রাহকদের কোনোভাবেই পণ্য সরবরাহ করা সম্ভব না। এই অবন্থা বাংলাদশে ব্যাংক ধারণা করছে গ্রাহক ও মার্চেন্টের কাছ থেকে নেওয়া ৩৩৮ কোটি ৬২ লাখ ১৮ হাজার ১৭৮ টাকা আত্মসাৎ করার সম্ভাবনা রয়েছে।

সেরা টিভি/আকিব

Please Share This Post in Your Social Media

এই ক্যাটাগরীর আরও সংবাদ
© All rights reserved by Shera TV
Developed BY: Transfotech