টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে প্রথম ওভারেই স্টার্ককে ছয় মেরে শুরু নাইম শেখের। তবে, টিকতে পারেন নি সৌম্য সরকার। হ্যাজেলউডের বলে ফিরেছেন বোল্ড হয়ে। সময় নিয়ে সেট হয়েও ইনিংস টানতে পারেন নি নাইম শেখ। ২৯ বলে ৩০ করে জাম্পার বলে নাইমও বোল্ড। ১০ ওভার শেষে স্কোরবোর্ডে ২ উইকেটে আটান্ন। টাইগাররা উইকেট হারিয়েছে নিয়মিত। গড়ে ওঠে নি পার্টনারশিপ। ইন্ডিভিডুয়াল ফিফটি তো নাই-ই। নাই কোন পঞ্চাশ রানের জুটিও। রানের চাকা সচল রাখতে পারে নি কেউই। ১৬তম ওভার পর্যন্তও তাই রান রেট ছয় ছাড়ায় নি।
একাই যা একটু লড়েছেন সাকিব। ৩৩ বলে করেন ৩৬ রান। শেষদিকে ১৭ বলে ২৩ আসে আফিফের ব্যাটে। হ্যাজেলউডের ৩ শিকারের সাথে স্টার্কের দুই উইকেট। টাইগারদের বোর্ডে জমা ১৩১। ছোট লক্ষ্য। চাপ নাই। তাতে কি? শুরু থেকেই অল-আউট স্পিনে অস্ট্রেলিয়াকে চেপে ধরে বাংলাদেশ। ১১ তুলতেই প্যাভিলিয়নে তিন ব্যাটসম্যান। কেরি, ফিলিপ্পের পর আউট হেনরিকসও। পাওয়ারপ্লে শেষে রান ২৮। প্রথমে ওয়েড পরে অ্যাগারকে সাথে নিয়ে বিপদ কাটানোর চেষ্টা চালান মিচ মার্শ। লাভ হয় নি। বাজে শটে আউট অজি ক্যাপ্টেন, হিট উইকেট অ্যাগার। দুইটাই নাসুমের। শেষ ৫ ওভারে চাই পাক্কা ৫০ রান। আস্কিং রান রেট ঠিক দশ। বিগ শট খেলতে গিয়ে নাসুমের চতুর্থ শিকার মার্শ।
বাংলাদেশ একাদশ: মাহমুদউল্লাহ (অধিনায়ক), সৌম্য সরকার, মোহাম্মদ নাঈম, সাকিব আল হাসান, নুরুল হাসান (উইকেটকিপার), আফিফ হোসেন, শামীম হোসেন, মেহেদী হাসান, মোস্তাফিজুর রহমান, শরীফুল ইসলাম, নাসুম আহমেদ।
অস্ট্রেলিয়া একাদশ: অ্যালেক্স ক্যারি, জশ ফিলিপি, মিচেল মার্শ, ময়জেস হেনরিকস, ম্যাথু ওয়েড (অধিনায়ক, উইকেটকিপার), অ্যাশটন টার্নার, অ্যাশটন অ্যাগার, মিচেল স্টার্ক, অ্যান্ড্রু টায়, অ্যাডাম জাম্পা, জশ হ্যাজলউড।
সেরা টিভি/আকিব