লকডাউন শেষে গ্রিসে ফুল কেনা আর চুল কাটার হিড়িক - Shera TV লকডাউন শেষে গ্রিসে ফুল কেনা আর চুল কাটার হিড়িক - Shera TV

লকডাউন শেষে গ্রিসে ফুল কেনা আর চুল কাটার হিড়িক

ইন্টারন্যাশনাল ডেস্ক:
দেশে দেশে শিথিল হচ্ছে করোনা ভাইরাস (কভিড-১৯) সংক্রমণ রোধে জারি করা লকডাউন। সে ধারায় আজ সোমবার গ্রিসে খুলে দেয়া হয়েছে চুল কাটার সেলুন, ফুল ও বইয়ের দোকান। প্রায় ছয় সপ্তাহ পর খোলা পেয়ে দোকানগুলোয় ক্রেতাদের হিড়িক পড়েছে।
সতর্কভাবে লকডাউন শিথিল করছে গ্রিস। আগামী সপ্তাহগুলোয় ধীরে ধীরে লকডাউন আরো শিথিলের পরিকল্পনা করছে সরকার। সোমবার থেকে কোনো বিশেষ কারণ ছাড়াই জনগণ বাইরে বের হতে পারছে। তবে বাইরে অবস্থানকালে সার্জিক্যাল মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যাত্রীরা মাস্ক পড়ছে কিনা ও সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখছে কিনা তা নিশ্চিতে সোমবার ভোর থেকে বাস ও মেট্রো স্টেশনগুলো পরিদর্শন করেছে পুলিশ।
আজ থেকে গ্রিকদের বাইরে যাওয়ার জন্য বিশেষ কারণের প্রয়োজন নেই।

লকডাউনের বিগত ছয় সপ্তাহে কেবলমাত্র খাবার বা ওষুধ কিনতে ও শরীরচর্চার জন্য ঘর থেকে বের হওয়ার অনুমোদন ছিল তাদের।
মুক্ত বাতাসের স্বাদ নিতে সোমবার দলে দলে রাস্তায় নেমে এসেছে গ্রিকরা। রাজধানী এথেনস ও অন্যান্য বড় শহরে বিদ্যুৎ চালিত পণ্যের দোকানের বাইরে লম্বা লাইন দেখা গেছে। একই অবস্থা দেখা গেছে, ফুলের দোকান, বইয়ের দোকান ও সেলুনগুলোয়। স্কুল, রেস্তোরাঁ ও বার এখনো খুলে দেয়া হয়নি। তবে চলতি সপ্তাহের শেষের দিকেই খুলে দেয়া হতে পারে বলে প্রত্যাশা রয়েছে। এখন পর্যন্ত দেশটিতে করোনার আক্রান্ত হয়েছেন ২ হাজার ৬২৬ জন। প্রাণ হারিয়েছেন ১৪৪ জন। অন্যান্য ইউরোপীয় দেশগুলর তুলনায় এ সংখ্যা তুলনামূলকভাবে অনেক কম।
গ্রিসে করোনা সংক্রমণ কম হলেও দেশটির অর্থনীতির উপর ব্যাপক চাপ সৃষ্টি করেছে বৈশ্বিক এই মহামারি। ২০১৮ সালে ঋণ সংকট কাটিয়ে উঠতে গিয়ে অর্থনীতির এক-চতুর্থাংশ হারিয়েছে দেশটি। করোনা মহামারিতে ছয় সপ্তাহ এর অর্থনীতি কার্যত অচল ছিল। গ্রিক সরকার ওই অর্থনীতি চালু করতে উদগ্রীব। তবে বিশেষজ্ঞরা আশঙ্কা করছেন, চলতি বছর ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়তে যাচ্ছে গ্রিস। দেশটির অর্থনীতির অন্যতম ভিত্তি হচ্ছে পর্যটন খাত। করোনার বৈশ্বিক বিস্তারে ওই খাত ব্যাপক আকারে ক্ষতিগ্রস্ত হবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

সেরা নিউজ/আকিব

Developed BY: Shera Digital 360