বর্ণবাদী আন্দোলনের মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্রের উইসকনসিনে পুলিশের গুলিতে এক কৃষ্ণাঙ্গ আহত - Shera TV বর্ণবাদী আন্দোলনের মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্রের উইসকনসিনে পুলিশের গুলিতে এক কৃষ্ণাঙ্গ আহত - Shera TV

বর্ণবাদী আন্দোলনের মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্রের উইসকনসিনে পুলিশের গুলিতে এক কৃষ্ণাঙ্গ আহত

অনলাইন ডেস্ক:

বর্ণবাদী আন্দোলনের মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্রের উইসকনসিনে পুলিশের গুলিতে এক কৃষ্ণাঙ্গ আহত হয়েছেন। তার নাম জ্যাকব ব্লেক। এ ঘটনা ছড়িয়ে পড়তেই অঙ্গরাজ্যজুড়ে বিক্ষোভ শুরু হয়। বিক্ষুব্ধদের দমাতে কারফিউ জারি করে কর্তৃপক্ষ। খবর রয়টার্স ও ইয়েনি শাফাকের।

এর আগে চলতি বছরের ২৫ মে মিনেসোটা অঙ্গরাজ্যের বৃহত্তম শহর মিনিয়াপলিসে পুলিশের হাতে জর্জ ফ্লয়েড নামের এক কৃষ্ণাঙ্গ নিহত হন। এরপরই বর্ণবাদবিরোধী বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে গোটা যুক্তরাষ্ট্রসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ।

২০২০ সালের ২৫ মে মিনেসোটা অঙ্গরাজ্যের বৃহত্তম শহর মিনিয়াপলিসে পুলিশের হাতে জর্জ ফ্লয়েড নামের এক কৃষ্ণাঙ্গ নিহত হওয়ার পর তুমুল বর্ণবাদবিরোধী বিক্ষোভ শুরু হয়। বিশ্বের বিভিন্ন জায়গায় বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। যুক্তরাষ্ট্রে অঙ্গরাজ্যভিত্তিক পুলিশ বিভাগকে বিলুপ্ত করার দাবিও জানায় কেউ কেউ। তার মধ্যেই বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে পুলিশের গুলিতে নিরস্ত্র কৃষ্ণাঙ্গ হতাহত হওয়ার ঘটনা অব্যাহত রয়েছে।

উইসকনসিন অঙ্গরাজ্যের স্থানীয় সংবাদমাধ্যমকে উদ্ধৃত করে ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানায়, রবিবার (২৩ আগস্ট) সন্ধ্যায় জ্যাকব ব্লেক নামের ওই কৃষ্ণাঙ্গকে কয়েকবার গুলি করে পুলিশ। পরে তাকে গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, রাজ্যের কেনোসা শহরে গাড়িতে ওঠার জন্য ব্লেক যখন হেঁটে যাচ্ছেন তখন তাকে অনুসরণ করছে দুই পুলিশ সদস্য। ব্লেক গাড়ির দরজা খোলার সাথে সাথে গেুলি করে তাদেরই একজন।

এর প্রতিবাদে হাজারো মানুষ পথে নেমে আসে। সড়কে টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ করে তারা। বিক্ষোভকারীদের ঠেকাতে টিয়ার গ্যাস ছোড়ে পুলিশ।

বিক্ষোভকারী ও নিরাপত্তা বাহিনীর সংঘর্ষের জের ধরে রাতভর কারফিউ জারি করা হয়।

কেনোসা পুলিশ বিভাগ জানিয়েছে, একটি ‘পারিবারিক ঘটনা’র মীমাংসা করতে পুলিশ সদস্যদেরকে ডাকা হয়েছিল। আহত ব্লেককে পুলিশই হাসপাতালে নিয়ে গেছে। তবে কেন তাকে গুলি করা হলো সে ব্যাপারে ওই বিবৃতিতে বিস্তারিত জানানো হয়নি।

উইসকনসিনের আইন মন্ত্রণালয় সোমবার সকালে জানিয়েছে, ঘটনায় জড়িত পুলিশ সদস্যদেরকে প্রশাসনিক ছুটিতে পাঠানো হয়েছে। অঙ্গরাজ্যটির অপরাধ তদন্ত বিভাগ এ ঘটনায় তদন্ত করছে।

 

সেরা নিউজ/আকিব

Developed BY: Shera Digital 360