সাজার ভয়ে আদালত প্রাঙ্গণে যা করলেন সেই মজনু - Shera TV সাজার ভয়ে আদালত প্রাঙ্গণে যা করলেন সেই মজনু - Shera TV

সাজার ভয়ে আদালত প্রাঙ্গণে যা করলেন সেই মজনু

স্টাফ রিপোর্টার:
সাজার ভয়ে আদালত প্রাঙ্গণে কান্নায় লুটিয়ে পড়েন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) শিক্ষার্থী ধর্ষণে অভিযুক্ত মজনু। রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) আদালতে সাক্ষ্য গ্রহণ শুরু হলে এ অবস্থার সৃষ্টি হয়।

এ দিন ক্যান্টনমেন্ট থানায় হওয়া মামলায় প্রথম দিনের সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়েছে। এসময় ঢাকার সপ্তম নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব‌্যুনা‌লের বিচারক মোসাম্মৎ কামরুন্নাহারের আদালতে জবানবন্দি দেন মামলার বাদী ও ভুক্তভোগী ছাত্রীর বাবা।

উল্লেখ্য, গত ৫ জানুয়ারি সন্ধ্যার পর সাড়ে ৫টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের বাসে রওনা দেন ওই ছাত্রী। সন্ধ্যা ৭টার দিকে তিনি রাজধানীর কুর্মিটোলা বাসস্ট্যান্ডে বাস থেকে নামেন।

এরপর একজন অজ্ঞাত ব্যক্তি তার মুখ চেপে ধরে সড়কের পেছনে নির্জন স্থানে নিয়ে যায়। সেখানে ধর্ষণের পাশাপাশি তাকে নির্যাতনও করা হয়। তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে ক্ষতচিহ্ন রয়েছে। ধর্ষণের একপর্যায়ে তিনি অজ্ঞান হয়ে পড়েন।

রাত ১০টার দিকে নিজেকে একটি নির্জন জায়গায় নিজেকে আবিষ্কার করেন ওই ছাত্রী। পরে সিএনজি নিয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে আসেন। রাত ১২টার দিকে ওই ছাত্রীকে ঢামেক হাসপাতালের ওয়ানস্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) ভর্তি করান তার সহপাঠীরা।

৬ জানুয়ারি রাতে ধর্ষণের শিকার ওই ছাত্রীর বাবা ক্যান্টনমেন্ট থানায় মামলা দায়ের করেন। প্রাথমিক তদন্ত ও অভিযোগ যাচাই-বাছাই শেষে রাতেই নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৯ (১) ধারায় মামলাটি তালিকাভুক্ত করে থানা কর্তৃপক্ষ।

পরে ৮ জানুয়ারি অভিযুক্ত ধর্ষক মজনুকে গ্রেফতার করে র‌্যাব। মজনুকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করার পর সে ধর্ষণের কথা স্বীকার করে। এরপর ১৬ জানুয়ারি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়ে ধর্ষণের দায় স্বীকার করেন মজনু।

গত ২৬ আগস্ট এই মামলার একমাত্র আসা‌মি মজনুর বিচার শুরু হয়েছে। ওইদির তার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরুর নির্দেশ দেন আদালত।

মামলায় রাষ্ট্রপক্ষে মোট ২১ সাক্ষী রয়েছেন। পরবর্তী সময়ে সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) দিন ধার্য করেন আদালত।

সেরা নিউজ/আকিব

Developed BY: Shera Digital 360