অনলাইন ডেস্ক:
যেকোনও সন্তানের কাছে পৃথিবীর সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য মানুষ তার মা। কিন্তু সেই মা-ই যদি সন্তানের সর্বনাশের কারণ হয়ে দাঁড়ায়? শুনতে অবাক লাগলেও এমনই এক ঘটনা ঘটলো ভারতের চেন্নাইয়ে।
যেখানে নিজের মেয়েকেই ধর্ষণ করতে প্রেমিককে সাহায্য করল এক নারী। শুধু তাই নয়, এ কারণে গর্ভবতীও হয়ে পড়ে ১৫ বছর বয়সি
ওই কিশোরী। সম্প্রতি সরকারি হোমে এক সন্তানের জন্মও দিয়েছে সে। ঘটনায় দুই অভিযুক্তকেই গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
অভিযুক্ত নারীর কয়েকবছর আগেই ডিভোর্স হয়েছিল। পরবর্তীতে শেখর নামে পেশায় এক রং মিস্ত্রীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে জড়ায় ওই নারী।এরপর মাঝে মধ্যেই ওই নারীর সঙ্গে দেখা করতে আসত ওই ব্যক্তি। কিন্তু তার মাঝেই নারীর ১৫ বছর বয়সি বড় মেয়েকে যৌন হেনস্তা করতে থাকে। এই বিষয়ে মা’কে জানালেও, ওই নারী নিজের মেয়েকে বাঁচানোর পরিবর্তে মানিয়ে নিতে বলে। এরপর ওই ব্যক্তির কুকীর্তির পরিমাণও বাড়তে থাকে। এর মধ্যেই গর্ভবতী হয়ে পড়ে ওই নাবালিকা।
এ কথা জানতে পেরে মেয়েকে ভাইয়ের বাড়িতে রেখে আসে অভিযুক্ত নারী। কিন্তু তার গর্ভবতী হওয়ার কথা জানাননি। পরবর্তীতে মেয়েটি তার মামাকে পুরো বিষয়টি জানায়। এরপর বোনের সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করেন অভিযুক্ত নারীর ভাই। শেষ পর্যন্ত যোগাযোগ করতে না পেরে পুলিশের দ্বারস্থ হন। এরপরই নড়েচড়ে বসে পুলিশ। দু’জনের নামে মামলা দায়ের হয়। গ্রেফতার করা হয় অভিযুক্তদের।
এদিকে, ওই নাবালিকাকে একটি হোমে পাঠানো হয়। সেখানে এক সন্তানের জন্মও দেয় সে। এ ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই অনেকেই নিন্দায় সরব হয়েছেন। কেউ কেউ দোষীদের উপযুক্ত শাস্তির দাবি তুলেছেন।
সেরা টিভি/আকিব